সিলেটে গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে ১৮ লাখ টাকার ভারতীয় পণ্যসহ আটক ১

সিলেট মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অভিযানে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় অবৈধ কসমেটিক পণ্যসহ চোরাকারবারি দলের সদস্যকে আটক করা হয়েছে। আটককৃত মালামালের বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় আঠার লক্ষ একষট্টি হাজার নয়শত বিশ টাকার বলে জানা যায়।

শনিবার ০৭ ডিসেম্বর সকাল অনুমানিক সাড়ে ৯ ঘটিকার সময় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ অভিযানে জালালাবাদ থানার হাউসা গ্রামের আর হেরাম মার্কেটের বিপরীতে সুনামগঞ্জ টু সিলেটগামী পাকা রাস্তার উপর হতে মালামালসহ চোরাকারবারিকে আটক করা হয়।

আটককৃত চোরাকারবারির নাম, মোঃ স্বপন (৩০) সে সুনামগঞ্জ জেলার চৌমুহনীবাজারের আইমাগাও গ্রামের মৃত আব্দুল মজিদের ছেলে।

জানা যায়, গোয়েন্দা পুলিশের টহলরত টিম সুনামগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারের শুল্ক ফাঁকি দিয়ে ভারতীয় পন্য ঢোকার বিষয়টি জানতে পারলে ভোর ০৬.৩০ ঘটিকা হতে এসআই সৌমেন দাসের নেতৃত্বে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের টহলরত টিম জালালাবাদ থানাধীন হাউসা গ্রামস্থ আর হেরাম মার্কেটের বিপরীতে সুনামগঞ্জ টু সিলেটগামী পাকা রাস্তার উপর অবস্থান নেয়।

সকাল অনুমান ৯:৩০ ঘটিকার সময় ঢাকা মেট্রো ন-১৫-৬০৩২ নেভী ব্লু রংয়ের একটি পিকআপ ভ্যান আসলে ডিবি পুলিশের টিম গাড়ীটিকে সিগন্যাল দিয়ে দাঁড় করিয়ে পিকআপ ভ্যানটি তল্লাশী করা হলে পিকআপ ভ্যানের ভিতর বিশেষ কৌশলে রক্ষিত বাদামী বর্ণের ৩২টি কার্টুনে ভারতীয় তৈরী বিভিন্ন ব্র্যান্ডের কসমেটিক্স পাওয়া গেলে সাথে সাথে স্বপন মিয়াকে আটক করা হয়।

আটককৃত আসামীর কাছে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, উক্ত কসমেটিক্স (ভারতীয় পন্য) চোরাচালানের মাধ্যমে সুনামগঞ্জ জেলার সুনামগঞ্জ মডেল থানাধীন বক্তেরগাঁও সীমান্তা দিয়ে মঙ্গলকাটা হয়ে বাংলাদেশ সরকারের শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে সিলেট শহরে নিয়ে আসছিলেন।

উক্ত চোরাচালানের সহিত আরো অনেকেই জড়িত বলে প্রাথমিকভাবে ধারনা করা হচ্ছে। চোরাকারবারীর সাথে জড়িত অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত আছে।

এসআই আবু রায়হান নূর বাদী হয়ে উক্ত আসামীর বিরুদ্ধে জালালাবাদ থানায় এজাহার দায়ের করলে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা রুজুর বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে।

আরও