সর্বশেষ

নিজ ধর্ম ছেড়ে বাংলাদেশি প্রেমিকাকে বিয়ে করে আলোচনায় ব্রিটিশ তরুণ গ্রাহাম

লেখাপড়ার করতেই লন্ডনে ছুটে গিয়েছিলেন চাঁটগাইয়্যা মেয়ে ফেরদৌসি কবির মুক্তা। লেখাপড়ার ফাঁকে সেখানে পরিচয় হয় ব্রিটিশ তরুণ গ্রাহাম ষ্টুয়ার্টের সঙ্গে। সে থেকে দুজনে জড়িয়ে পড়েন প্রেমে। খবর ইউএনবি’র।
প্রেমের সফল পরিণতির জন্য গত ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে ছুটে এসেছে গ্রাহাম ষ্টুয়ার্ট। বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন মুক্তার সাথে। তার আগেই নিজের ধর্মত্যাগ করে মুসলমান হয়ে নাম পাল্টে রেখেছেন সাইমন কবির।
শুক্রবার বন্দরনগরীর একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল মুক্তার আর সাইমন কবিরের বিয়ের অনুষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে কথা হয় ব্রিটিশ তরুণ বর সাইমন কবিরের সঙ্গে। এখনো পুরোপুরি বাংলা বলতে না পারলেও ভাঙ্গা ভাঙ্গা বাংলা ও ইংরেজিতে অনুভূতি জানাতে গিয়ে সাইমন জানান, নতুন পরিবেশে বাঙ্গালির বিয়ের সংস্কৃতি তার খুবই ভালো লাগছে। তিনি সবার সাথে দারুণ উপভোগ করেছেন। বিয়ের পর খুব শিগগিরই নিজের বাঙ্গালি বউকে নিয়ে আবার লন্ডনে ছুটে যাবেন।
কনে ফেরদৌসি কবির মুক্তার গ্রামের বাড়ী চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলায়। তার বাবার নাম হুমায়ুন কবির হেলালী। চট্টগ্রাম শহরেই তার বেড়ে উঠা। উচ্চ শিক্ষার জন্য কয়েক বছর আগে যান ব্রিট্রেনে। বড়ভাই সোয়েব কবির দেশের একটি বেসরকারি টেলিভিশনের লন্ডন প্রতিনিধি। মুক্তার বড় বোন তাহমিনা কবির একজন ব্যারিস্টার।
বিয়ের পর বর বর্তমানে চট্টগ্রামের কোতোয়ালী থানার লাভলেন এলাকায় শ্বশুর বাড়িতে অবস্থান করছেন ।
ফেরদৌসি কবির মুক্তার বাবা হুমায়ুন কবির হেলালী জানান, মুক্তা ২০১৭ সালে লন্ডনের নটিংহাম ইউনিভার্সিটিতে পড়তে যান। লন্ডনে পড়াকালীন সময়ে তার সঙ্গে পরিচয় হয় ব্রিটিশ তরুণ গ্রাহাম ষ্টুয়ার্টের। পরে পারিবারিকভাবে বিয়ের কথা উঠলে ধর্মীয় বিষয়টি সামনে আসে এবং গ্রাহাম ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সিদ্ধান্ত নেয়।
তিনি জানান, ‘ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর গ্রাহাম আমাদের পারিবারিক টাইটেল ‘কবির’ গ্রহণ করে তার নাম রাখে সাইমন কবির। সে বাংলাদেশে এসে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয়।’
চট্টগ্রামে বাঙালি রীতি অনুযায়ী ২৬ ডিসেম্বর গায়ে হলুদ এবং ২৭ ডিসেম্বর পারিবারিকভাবে তাদের বিবাহ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।

আরও