সমস্যার প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনী সমাধান দিয়ে পুরস্কৃত ১০ টিম

দেশের জনগুরুত্বপূর্ণ সমস্যা চিহ্নিত করে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনী সমাধান দেয়ায় পুরস্কৃত হয়েছে ১০টি দল। থিংক হ্যাক সলভ স্লোগানে ন্যাশনাল হ্যাকাথন অন ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজিস শীর্ষক প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠানে তাদের পুরস্কৃত করা হয়।

শনিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের (আইইউবি) ক্যাম্পাসে দুদিনব্যাপী এ প্রতিযোগিতার সমাপনী অনুষ্ঠান হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম। আরও অতিথি ছিলেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এবং ঢাকায় ভারতের উপ-হাইকমিশনার বিশ্বদীপ দে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল ও স্টার্টআপ বাংলাদেশের আইডিয়া প্রকল্পের এ আয়োজনে সহযোগিতায় ছিল ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন ও টেক মাহিন্দ্রা লিমিটেড।

সারাদেশ থেকে নির্বাচিত ১৫০ জন উদ্ভাবকের সমন্বয়ে ৫১টি দল ১০টি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনী সমাধানের লক্ষ্যে দিনব্যাপী জাতীয় হ্যাকাথনে অংশ নেন। এর মধ্য থেকে সেরা ১০টি দলকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয় এবং তাদের হাতে সনদ তুলে দেয়া হয় অনুষ্ঠানে।

এসময় স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম বলেন, তরুণরা তাদের উদ্ভাবনী চিন্তা-চেতনা ও সাহস দিয়ে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে চলেছে। আমরা বিশ্বাস করি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ে তুলবে এ তরুণ প্রজন্ম।

তিনি বলেন, পরিচ্ছন্ন ঢাকা শহর গড়তে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন দরকার। গ্রামীণ অবকাঠামো ও রাস্তা নির্মাণে প্রযুক্তিকে কীভাবে কাজে লাগানো যায় সেটির উদ্ভাবনও দরকার।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, সারাবিশ্বে বাংলাদেশকে একটি উদ্ভাবনী জাতি হিসেবে পরিচিত করাতে চাই আমরা। প্রযুক্তিখাতে নতুন নতুন উদ্ভাবনে সরকার বদ্ধপরিকর।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন ভারতের উপ-হাইকমিশনার বিশ্বদীপ দে ও টেক মাহিন্দ্রা লিমিটেডের কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স প্রেসিডেন্ট সুজিত বকসী।

আয়োজকরা জানান, প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ১০ টিমকে টেক মাহিন্দ্রা লিমিটেডের মেকারস ল্যাবে গবেষণা ও প্রযুক্তি সহায়তাসহ মেনটরিং ও প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। একইসঙ্গে তাদের উদ্ভাবনী প্রকল্প ম্যাচিউর করার জন্য প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ করা হবে।

আরও