জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ৪-১০ এপ্রিল

 ইলিশ রক্ষায় আগামী ৪ থেকে ১০ এপ্রিল জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ উদযাপন করবে সরকার। এজন্য বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। রোববার (৮ মার্চ) সচিবালয়ে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্সের সভায় জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ-২০২০ উদযাপনের কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম সভায় সভাপতিত্ব করেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের প্রথম দিন সকাল সাড়ে ৭ টায় ঢাকায় মৎস্য ভবন থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাব পর্যন্ত বর্ণাঢ্য র্যালি এবং দেশের ৬৪ জেলায় একই সময়ে স্থানীয় মৎস্যজীবীসহ সংশ্লিষ্টদের নিয়ে র্যালি করা হবে। ঢাকায় র্যালি শেষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মৎস্য অধিদফতরে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করবেন।

সপ্তাহ উদযাপনের অন্যান্য কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জাটকা সংরক্ষণ বিষয়ক ভিডিওচিত্র প্রদর্শন, বেতার-টেলিভিশনে আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজন, ইলিশ বিষয়ক কর্মশালা আয়োজন, ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন মৎস্য আড়ৎ, বাজার ও অবতরণ কেন্দ্রে বিশেষ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা এবং ইলিশ অধ্যুষিত পাঁচটি জেলা তথা চট্টগ্রাম, ভোলা, চাঁদপুর, পটুয়াখালী ও পিরোজপুরে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অংশীজনদের সমন্বয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ছাড়াও জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহে জাটকা সংশ্লিষ্ট জেলা-উপজেলায় নৌ, সড়ক ও রিকশা র্যালি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আলোচনা সভা, হাট-বাজারে অভিযান পরিচালনা, শিশু-কিশোরদের রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, জেলেদের মধ্যে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা, মৎস্যজীবী জেলে পল্লীতে জাটকা সংরক্ষণ বিষয়ক সচেতনতা ও উদ্ধুদ্ধকরণ সমাবেশ, পথনাটক, আঞ্চলিক সংগীত এবং জাটকা রক্ষায় সমন্বিত বিশেষ অভিযান পরিচালনাসহ ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, জাটকা নিধনের সঙ্গে জড়িতদের সব কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব সময় ভালো কাজের অনুপ্রেরণা ও সাহস দেন। তিনিই আমাদের শক্তি। দেশ, জাতি ও আইনের শাসনের স্বার্থে জাটকা নিধনের সঙ্গে সম্পৃক্ত নেপথ্যের প্রভাবশালীদের প্রতিহত করা হবে। আর ইলিশ আহরণ বন্ধকালীন জেলেদের জন্য অবশ্যই বিকল্প ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও এর আওতাধীন সংশ্লিষ্ট দফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ টাস্কফোর্সের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

আরও