ফেনীতে করোনা রোগী আত্মগোপন করায় ভবন লকডাউন

 ফেনীতে করোনাভাইরাস আক্রান্ত এক ব্যক্তি আত্মগোপন করেছেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে এমন খবর ছড়িয়ে পড়লে রোববার রাতে স্বাস্থ্য বিভাগের লোকজন ওই ভবন ঘিরে ফেলেন।

সেখানে সন্দেহভাজন করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তিকে না পেলেও ভবনটি লকডাউন করা হয়েছে। এ দিকে ওই ব্যক্তি ফেনী থেকে ঢাকায় এসেছেন।

সোমবার জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সিভিল সার্জন ডা. সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া এলাকার সেতু বিল্ডিং নামে একটি ভবনে সন্দেহভাজন করোনা আক্রান্ত রোগী অবস্থান জানতে পারি। তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস সহকারী। গত কয়েকদিন প্রবাসফেরত ব্যক্তিদের নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরিয়ে তিনি বাড়িতে উঠেছিলেন বলে জানা যায়। কিন্তু স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে ওই ব্যক্তি পালিয়ে যান।

এ দিকে ওই ব্যক্তির পরিবার সূত্র জানায়, সোমবার সকালে ওই ব্যক্তি নিজে রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানে (আইইডিসিআর) করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য যান। সেখান থেকে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে কীভাবে তিনি ঢাকায় পৌঁছান তা জানা যায়নি।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ জানায়, গত ২০ ঘণ্টায় ফেনীতে ১৪৬ প্রবাসীসহ ৫২১ জনকে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। এর মধ্যে ২১ জনের হোম কোয়ারেন্টিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় মৌখিকভাবে তাদের ছাড়পত্র দিয়েছে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ। গত কয়েকদিনে জেলায় মোট ১২৬ জনের কোয়ারেন্টিন শেষ হয়েছে।

বিমানবন্দরের তথ্যানুযায়ী ফেনীতে ৫ হাজার ৩০০ জন প্রবাসী দেশে ফিরেছেন। এদের মধ্যে ৪৮০ প্রবাসী ও তাদের পরিবারের সদস্যসহ সবাইকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। বাকি বিদেশফেরতদের তথ্যানুযায়ী খুঁজে না পাওয়ায় তাদের হোম কোয়ারেন্টিনের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি।

 

আরও