জরুরি সেবার আওতায় সংবাদপত্র-জ্বালানি

করোনাভাইরাস সংক্রমণ মোকাবেলা এবং এর ব্যাপক বিস্তাররোধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে ছুটি বাড়ানোর প্রজ্ঞাপনে সংশোধনী এনেছে সরকার।

আজ বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সংশোধনীতে বলেছে, সাধারণ ছুটিকালীন জ্বালানি ও সংবাদপত্র জরুরি পরিষেবার আওতায় থাকবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, বিভিন্ন স্থানে জ্বালানি ও সংবাদপত্র তথা গণমাধ্যমের কর্মীরা বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছেন বলে প্রজ্ঞাপনে এটি পরিষ্কার করা হয়েছে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ছুটি বাড়ানোর প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, জরুরি পরিষেবার (বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ফায়ার সার্ভিস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট ইত্যাদি) ক্ষেত্রে এ ব্যবস্থা (ছুটি) প্রযোজ্য হবে না। কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, (সংশোধিত প্রজ্ঞাপনে জ্বালানি ও সংবাদপত্র অন্তর্ভুক্ত করা হয়) খাদ্য, শিল্প পণ্য, চিকিৎসা সরঞ্জমাদি, জরুরি নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পরিবহন এবং কাঁচা বাজার, খাবার, ওষুধের দোকান ও হাসপাতাল এ ছুটির আওতার বাইরে থাকবে।

জরুরি প্রয়োজনে অফিসগুলো খোলা রাখা যাবে। প্রয়োজনে ওষুধশিল্প, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্প কলকারখানা চালু রাখতে পারবে। মানুষের জীবন-জীবিকার স্বার্থে রিকশা-ভ্যানসহ যানবাহন, রেল, বাস পর্যায়ক্রমে চালু করা হবে।

জনগণের প্রয়োজন বিবেচনায় ছুটিকালীন বাংলাদেশ ব্যাংক সীমিত আকারে ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

আরও