পাকা ফসল নিয়ে বিপাকে জগন্নাথপুরের কৃষকরা

করোনা পরিস্থিতিতে একদিকে শ্রমিক সংকট, অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন সুনামগঞ্জ জগন্নাথপুর উপজেলায় কৃষকরা। জমিতে পাকাধান নিয়ে তারা দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। শুক্রবার নলুয়ার হাওর ঘুরে কৃষকদের সাথে কথা বলে এমন চিত্র মিলেছে।

কৃষকরা জানান, করোনা পরিস্থিতিতে ধান কাটা নিয়ে সংকট চলছে। এরমাঝে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলায় বয়ে গেছে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি। শুক্রবার সকালে কৃষকরা হাওরে গিয়ে দেখেন অনেক জমির পাকা ধান নষ্ট হয়েছে। অনেকে কোনক্রমে অর্ধেক ধান রক্ষা করতে পেরেছেন।

হাওরে ভূরাখালি গ্রামের কৃষক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে হালকা শিলাবৃষ্টি জমির পাকা ফসলের ক্ষতি করেছে। এমনিতেই করোনাভাইরাসের কারণে কৃষি শ্রমিক না আসায় আমরা পাকা ফসল কাটতে পারছি না।

হাওর বাঁচাও আন্দোলনের যুগ্ম আহ্বায়ক মুক্তিযোদ্ধা নির্মল দাস বলেন,হাওরের অধিকাংশ জমির ফসল পাকতে শুরু করেছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে অন্য জেলা থেকে কৃষি শ্রমিকরা না আসায় কৃষকরা পাকাধান নিয়ে চিন্তিত। এছাড়াও কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি কৃষকদের শঙ্কায় ফেলেছে।

জগন্নাথপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শওকত ওসমান মজুমদার বলেন, করোনাভাইরাসের কারণে অন্য জেলার কৃষি শ্রমিক না আাসায় পাক ধান নিয়ে অনেক কৃষক দুশ্চিন্তায় আছেন। এছাড়াও কালবৈশাখী ঝড়,আগাম বন্যা,শিলাবৃষ্টিসহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়েয় চিন্তা আছেই। পাকার সাথে সাথে ধান কেটে ফেলতে পারলে কিছুটা রক্ষা হবে।

 

আরও