সর্বশেষ

চীনে করোনায় আক্রান্ত রোগীর ফুসফুস প্রতিস্থাপন সফল, হাসপাতাল ছাড়লেন রোগী

করোনায় আক্রান্ত রোগীর ফুসফুস সফলভাবে প্রতিস্থাপন করলেন চীনা চিকিৎসকরা। এর আগে করোনায় আক্রান্ত রোগীকে বাঁচাতে এত বড় পদক্ষেপ নেননি কোনো চিকিৎসক। করোনায় আক্রান্ত ওই রোগী ৯২ দিন পর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। উহানের রিনমিন হাসপাতালে এই সফল অস্ত্রোপচারের ঘটনা ঘটে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সারা বিশ্বে প্রথম উহানের রিনমিন হাসপাতাল ফুসফুস প্রতিস্থাপন করার পরিকল্পনা করে। এরপর ৯২ দিন আগে ৬৫ বছরের এক রোগী ফুসফুস প্রতিস্থাপনের জন্য ভর্তি হন। তাঁর নাম চুই জিকিয়াং।

এপ্রিলের ২০ তারিখ তাঁর ফুসফুস প্রতিস্থাপন করেন চিকিৎসকরা। আর মঙ্গলবার তাঁকে হাসপাতাল থেকে সুস্থ ঘোষণা করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তিনিই হলেন করোনা আক্রান্তের ক্ষেত্রে ফুসফুস প্রতিস্থাপনের প্রথম কোনো রোগী, যিনি হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।

চুই জিকিয়াংয়ের প্রথম করোনা ধরা পড়ে জানুয়ারি মাসের ২৩ তারিখ। বর্তমানে সুস্থ হলেও তিনি কথা বলতে পারছেন না এখনো। হাসপাতাল ছাড়লেও সব সময় তাঁর স্বাস্থের খোঁজখবর নেবেন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। হাসপাতাল ছাড়ার আগে একটি বোর্ড ব্যবহার করে লিখেছেন, আমি হাসপাতাল ছেড়ে চলে যাচ্ছি। আপনাদের ধন্যবাদ।

ফুসফুস প্রতিস্থাপনের সার্জারি দলের সদস্য অধ্যাপক লিন হুইকিং বলেছেন, ২০ জনেরও বেশি চিকিৎসক প্রতিরক্ষামূলক সরঞ্জাম পরে অস্ত্রোপচারে অংশগ্রহণ করেছিলাম। মাথা ঢাকা ছিল আমাদের। আমরা কারো সঙ্গে কথা বলতে পারছিলাম না। এটি ছিল একেবারেই নীরব অস্ত্রোপচার।

উল্লেখ্য, করোনা ফুসফুস ছাড়াও কিডনি, হৃৎপিণ্ড, রক্তনালি এবং স্নায়ুতন্ত্রের ক্ষতি করে থাকে। তবে করোনার আক্রমণে মানবদেহে সব থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় ফুসফুস। ওই ব্যক্তির সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল ফুসফুস। তাই চিকিৎসকরা ফুসফুস প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নেন।

 

আরও