বিএনপির আয়ের চেয়ে তিন গুণের বেশি ব্যয় বেড়েছে

নির্বাচন কমিশনে (ইসি) ২০১৯ সালের দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি। এতে দেখা গেছে, এক পঞ্জিকা বছরে দলটির আয়ের চেয়ে ব্যয় হয়েছে তিন গুণের বেশি।

আজ মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশন ভবনে ২০১৯ সালের দলটির আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

এ সময় ইসির সিনিয়র সচিব আলমগীর হোসেন বিএনপির আয়-ব্যয়ের হিসাব রিজভীর কাছ থেকে গ্রহণ করেন।

এতে উল্লেখ করা হয়েছে, বিগত পঞ্জিকা বছরে বিএনপির আয় হয়েছে ৮৭ লাখ ৫২ হাজার ৭১০ টাকা। আর ব্যয় হয়েছে দুই কোটি ৬৬ লাখ ৮৬ হাজার ১৩৭ টাকা। আয়-ব্যয়ের পার্থক্য হচ্ছে এক কোটি ৭৯ লাখ ৩৩ হাজার ৪২৭ টাকা। অর্থাৎ আয়ের তিন গুণেরও বেশি ব্যয় হয়েছে।

আরও পড়ুন: সি আর দত্তের মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির শোক

দলগুলো মনোনয়ন ফরম বিক্রি, দলীয় সদস্যদের মাসিক চাঁদা, এককালীন অনুদান থেকে আয় করে। আর অফিসের বিভিন্ন খরচ, নির্বাচনী ব্যয়, ত্রাণ কার্যক্রম, কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, বিভিন্ন অনুষ্ঠান আয়োজন প্রভৃতি খাতে ব্যয় করে। বিএনপির কর্মচারীদের বেতন-বোনাসে সবচেয়ে বেশি ব্যয় হয়েছে। ৭৫ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে এ খাতে।

এর আগে গেল বছরের ৩০ জুলাই ইসিতে দেওয়া আয়-ব্যয়ের হিসাব অনুযায়ী ২০১৮ সালে বিএনপির আয় বৃদ্ধি দেখানো হয়েছিল। সেই সঙ্গে আগের বছরের (২০১৭ সাল) চেয়ে ব্যয়ও কম হয়েছিল বলে হিসাবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

গতবার ইসিতে দলের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়ে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল সাংবাদিকদের বলেছিলেন, ২০১৮ সালে দলের আয় হয়েছে ৯ কোটি ৮৬ লাখ ৫৬ হাজার ৩৮০ টাকা। আর ব্যয় হয়েছে তিন কোটি ৭৩ লাখ ২৯ হাজার ১৪৩ টাকা। দলীয় তহবিলে জমা আছে ছয় কোটি ১৩ লাখ ২৭ হাজার ২৩৭ টাকা।

২০১৭ সালে দলটি মোট আয় দেখিয়েছিল ৯ কোটি ৪৬ লাখ ২৪ হাজার ৯০২ টাকা। আর মোট ব্যয় দেখিয়েছিল চার কোটি ১৯ লাখ ৪১ হাজার ৯৫৪ টাকা। পাঁচ কোটি ২৬ লাখ ৫২ হাজার ৯৪৮ টাকা হাতে বা ব্যাংকে রয়েছে।

২০১৬ সালে দলটির আয় হয়েছিল চার কোটি ১৩ লাখ ৬৮ হাজার ৭৩০ টাকা। আর ব্যয় হয়েছিল তিন কোটি ৯৯ লাখ ৬৩ হাজার ৭৫২ টাকা। আয় বেশি হয়েছে ১৪ লাখ চার হাজার ৭৭৮ টাকা।

 

আরও