ইসরায়েল ইস্যুতে এবার ট্রাম্পকে এক হাত নিলেন সৌদি প্রিন্স

ইসরায়েলের সঙ্গে আরব আমিরাত ও বাহরাইনের স্বাভাবিক সম্পর্ক তৈরিতে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সৌদি আরবে প্রিন্স তুরকি আল ফয়সাল ।

গত বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এক ভার্চুয়াল সাক্ষাতকারে তুরকি বিন আল ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ বলেন, ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের ইস্যুতে ট্রাম্প সৎ ছিলেন না।

সৌদির সাবেক গোয়েন্দা বিভাগীয় প্রধান ও কূটনীতিবিদ তুরকি বলেন, তাঁর বাবা বাদশাহ ফয়সাল বিন আবদুল আজিজ (১৯৬০-১৯৭০ সালে সৌদি আরবের শাসক) চুক্তি বিষয়ে হতাশ ছিলেন, অথচ ফিলিস্তিনের কোনো সমাধান না করে ইসরায়েলের সঙ্গে আরব আমিরাত ও বাহরাইন এ চুক্তি স্বাক্ষর করে।

আরও পড়ুন: তুরস্কে একনায়কতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠার দিকে এগুচ্ছেন এরদোগান?

তুরকি আরো বলেন, আমার একথা বলাও জরুরি যে প্রেসিডেম্প ট্রাম্প কোনো সৎ মধ্যস্থতাকারী নন। এতেকরে আমার বিশ্বাস মরহুম বাদশাহ আশাহত হন। ১৯৭৩ সালের রমজান মাসে ইসরায়েলকে সহায়তা করায় (বাদশাহ ফয়সাল) যুক্তরাষ্ট্রের ওপর তেল নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন। যাতে আরব ও ইসরায়েলের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র একজন সৎ মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে।

ফিলিস্তিন বিষয়ে সৌদির ভূমিকা বিষয়ে তুরকি বলেন, সৌদি আরব এখনও আরব পিস ইনিশিয়েটিভ এবং জেরুজালেমকে রাজধানী করে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনে প্রতিশ্রতিবদ্ধ।

১৯৬০ ও ১৯৭০-এর দশকে সৌদি আরব শাসন করেন বাদশাহ ফয়সাল। ১৯৭৩ সালের অক্টোবরের যুদ্ধের সময় ইসরায়েলকে সহায়তা করার সিদ্ধান্তে আমেরিকার ওপর তেল নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পৃষ্ঠপোষকতায় ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউজে ইসরায়েলের সঙ্গে বাহরাইন ও আরব আমিরাত স্বাভাবিক সম্পর্ক চুক্তির স্বাক্ষর করে।

 

আরও