সর্বশেষ

পার্লামেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু মিসরে

শনিবার মিসরে পার্লামেন্ট নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে আজও ভোট দেবেন ভোটাররা। এবারের নির্বাচনেও প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসির সমর্থকরা প্রাধান্য বিস্তার করতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। কয়েকটি ধাপে হবে পার্লামেন্ট নির্বাচন। দ্বিতীয় ধাপের ভোট হবে আগামী ৭ ও ৮ নভেম্বর। অপরদিকে নভেম্বরের শেষ ও ডিসেম্বরের শুরুতে শেষ ধাপের ভোট হবে।

মিসরের নির্বাচন নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগ রয়েছে। কারণ দেশটিতে টাকা দিয়ে ভোট কেনা, বিরোধী প্রার্থীদের বন্দি করার মতো ঘটনা খুবই সাধারণ। কিন্তু এভাবে নির্বাচন হওয়াটা মোটেও গণতান্ত্রিক নয়।

গ্রেফতার, ভয় দেখানো এবং ক্ষমতা ব্যবহার করে সরকার তার বেশিরভাগ সমালোচককে সরিয়ে দিচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচনে অংশ নেওয়াদের বেশিরভাগই সিসির সমর্থক। ধনী ব্যবসায়ীরা সরকার সমর্থিত দলগুলোর পেছনে কাড়ি কাড়ি অর্থ খরচ করেন।

এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছরের নির্বাচনের ফলাফল কি হবে তা জানতে আপাতত ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে। কিন্তু এবারের নির্বাচনেও আগের প্রতিফলন থাকবে এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। এবার নতুন ইলেক্টোরাল আইনের অধীনে পার্লামেন্ট নির্বাচন হচ্ছে মিসরে।

এ আইনের অধীনে মোট ৫৬৮টি আসনের মধ্যে ৫০ শতাংশ আসন আগে থেকেই বাছাইকৃতদের জন্য বরাদ্দ রাখা হবে। এর মাধ্যমে সিসির সমর্থকরা বিশেষ সুবিধা পাবেন বলে সমালোচকরা জানিয়েছেন। বাকি ৫০ শতাংশ আসনের জন্য প্রার্থীরা লড়বেন। প্রেসিডেন্ট সিসি সর্বোচ্চ ২৮ জন আইনপ্রণেতাকে সরাসরি নিয়োগ দিতে পারবেন।

২০১৩ সালের অভ্যুত্থানে দেশটির প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত মুসলিম ব্রাদারহুডের মুহাম্মদ মুরসিকে প্রেসিডেন্ট পদ থেকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। এরপর ২০১৪ সালে প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি। তিনি ছিলেন একজন সাবেক জেনারেল।

 

আরও