নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ নিয়ে সর্বশেষ যে তথ্য পাওয়া গেল
প্রকাশিত হয়েছে : ১:১৫:৫৫,অপরাহ্ন ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | সংবাদটি 0 View
সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। প্রজ্ঞাপনের খসড়া রেজল্যুশন বিজি প্রেস থেকে অর্থ মন্ত্রণালয় হয়ে বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ের ভেটিং বা আইনি যাচাই প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এই আইনি আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেই এসআরও নম্বর দিয়ে দ্রুত গেজেট জারি করা হবে।
এর আগে গত ৩১ আগস্ট মন্ত্রিসভার বৈঠকে নবম জাতীয় পে-স্কেলের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দেওয়া হয়। নতুন এই বেতন কাঠামো ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন কাঠামোয় তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীরা। ২০তম গ্রেডের বর্তমান ৮ হাজার ২৫০ টাকার মূল বেতন প্রায় ১৪২ শতাংশ বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
অন্যদিকে প্রথম গ্রেডের মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে দ্বিগুণ বাড়িয়ে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা এবং নবম গ্রেডের বেসিক ২২ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪৪ হাজার টাকা করা হয়েছে।
তবে নতুন বেসিকের পুরো সুবিধা একবারে কার্যকর হচ্ছে না। সরকারের রাজস্ব ও বাজেট ব্যবস্থাপনা স্বাভাবিক রাখতে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের মধ্যেই তিন ধাপে বর্ধিত মূল বেতন সমন্বয় করা হবে।
এর মধ্যে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে বর্ধিত বেসিকের ৫০ শতাংশ প্রথম ধাপে, ২৫ শতাংশ দ্বিতীয় ধাপে এবং অবশিষ্ট ২৫ শতাংশ তৃতীয় ধাপে যুক্ত হবে। আর ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের ক্ষেত্রে বর্ধিত অংশটি যথাক্রমে ৪০ শতাংশ, ৩০ শতাংশ এবং ৩০ শতাংশ হারে তিন ধাপে কার্যকর করা হবে।
নতুন স্কেলে মূল বেতন ধাপে ধাপে যুক্ত হলেও বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, শিক্ষা ও যাতায়াতসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ও ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন হারে দেওয়া শুরু হবে।
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও পেনশনভোগী মিলিয়ে প্রায় ৩৩ লাখ মানুষ এই নতুন পে-স্কেলের আওতায় আসবেন, যা বাস্তবায়নে সরকারের অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ ৫ হাজার ৫৮০ কোটি টাকা ব্যয় হবে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, কয়েক ধাপে বেতন বাড়ানোর ফলে সরকারের এককালীন বড় আর্থিক চাপ কমবে এবং বাজারের মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হবে।




