বিমল এলাচির বিজ্ঞাপন: শাহরুখ-অজয়-টাইগারের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া
প্রকাশিত হয়েছে : ৭:১৩:৪৫,অপরাহ্ন ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | সংবাদটি 0 View
শাহরুখ খান, অজয় দেবগন ও টাইগার শ্রফকে তারকা হিসেবে নয়, বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রে আইনের আওতায় থাকা ব্যক্তি হিসেবে দেখছেন বলে জানিয়েছেন মহারাষ্ট্র খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের কমিশনার তুকারাম মুন্ধে। তাঁর মতে, বিজ্ঞাপনে কোনো পণ্যের প্রচারের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরও নির্দিষ্ট দায়িত্ব রয়েছে।
এনডিটিভি ও দ্য ওয়াল জানিয়েছে, গত ১১ আগস্ট মুম্বাই বিভাগের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন তিন অভিনেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠায়। অভিযোগ, ‘বিমল এলাচি’র বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ বিমল পানমশলার পরোক্ষ প্রচার করা হচ্ছে। ১৫ দিনের মধ্যে তিন অভিনেতাকে জবাব দিতে বলা হয়েছিল।
সাক্ষাৎকারে তুকারাম মুন্ধে বলেন, ‘‘তিনজনের মধ্যে দুজন নোটিশের জবাব দিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত পণ্যের দায় মূলত প্রস্তুতকারকের। বিষয়টি নিয়ে শুনানি হবে বলেও জানান তিনি।’’
তুকারাম মুন্ধে বলেন, “আমরা তাদের বক্তব্য শোনার সুযোগ দিচ্ছি। সহকারী কমিশনার যিনি নোটিশ জারি করেছিলেন, তিনিই এই শুনানি করবেন।”
আর যে অভিনেতা এখনো জবাব দেননি, তাঁর বিরুদ্ধে বিচারপ্রক্রিয়া শুরুর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি। তবে কোন দুই অভিনেতা জবাব দিয়েছেন, তা স্পষ্ট করেননি তুকারাম মুন্ধে।
শাহরুখ খানের দল জবাব দিয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘‘সম্ভবত দেয়নি, যদিও এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।’’
শাহরুখ, অজয় ও টাইগারকে উদ্দেশ করে তুকারাম মুন্ধে বলেন, “আপনার মতে তারা তারকা হতে পারেন, কিন্তু এই ক্ষেত্রে তারা কেবল বিজ্ঞাপনদাতা। তাই আমি তাদের আইন লঙ্ঘনকারী হিসেবে দেখছি এবং আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। সে কারণেই আমরা ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছি।”
তুকারাম মুন্ধে বলেন, খাদ্য নিরাপত্তা আইনের অধীনে বিজ্ঞাপনের ক্ষেত্রেও নির্দিষ্ট বিধি রয়েছে। বিজ্ঞাপনদাতার দায়িত্ব শুধু পণ্য প্রস্তুতকারকের ওপর ছেড়ে দেওয়া যায় না। কোনো পণ্য প্রচারের আগে তার বিষয়ে যথাযথ যাচাই করা বিজ্ঞাপনদাতারও দায়িত্বের মধ্যে পড়ে বলে দাবি করেন এফডিএ কমিশনার।
দিল্লি হাইকোর্টেও স্বস্তি মেলেনি
গত ১৪ সেপ্টেম্বর বিমল এলাচির মাস্টার লাইসেন্সধারী সংস্থা পিবি অ্যাগ্রো এএলপি-এর করা মামলা খারিজ করে দিল্লি হাইকোর্ট। তিন অভিনেতার বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্র খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসনের জারি করা নোটিশ বাতিলের আবেদন করেছিল সংস্থাটি।
বিচারপতি স্বর্ণকান্তা শর্মার বেঞ্চ জানিয়েছেন, আদালতের এ বিষয়ে এখতিয়ার নেই। কারণ তিন অভিনেতার বিরুদ্ধে নোটিশ যেহেতু মুম্বাইয়ের খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন জারি করেছে, তাই বিষয়টি চ্যালেঞ্জ করার জন্য মহারাষ্ট্রের আদালতই উপযুক্ত জায়গা।




