ইউপি নির্বাচনে বাড়ছে জামানত ও ব্যয়ের সীমা, নির্ধারিত হলো প্রতীক
প্রকাশিত হয়েছে : ৭:৫৯:৫৬,অপরাহ্ন ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | সংবাদটি 0 View
ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে প্রার্থী হতে জামানতের টাকার পরিমাণ বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এটি ছাড়াও বেশ কিছু পরিবর্তন এনে ইউপি নির্বাচন বিধিমালা সংশোধন করেছে ইসি। সেখানে চেয়ারম্যান, সাধারণ সদস্য ও সংরক্ষিত সদস্য পদের জন্য প্রতীকও সংরক্ষণ করা হয়েছে। এবারের ইউপি নির্বাচন হবে নির্দলীয় প্রতীকে।
১৬ সেপ্টেম্বর সই করা এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে ইসি। এত দিন ইউপি নির্বাচনে লড়তে চেয়ারম্যান পদে জামানত ছিল ৫ হাজার এবং সদস্য পদে ১ হাজার টাকা। এখন সেটি বাড়িয়ে চেয়ারম্যান পদে ২৫ হাজার টাকা এবং সদস্য পদে ৫ হাজার টাকা করা হয়েছে।
একই সঙ্গে এবার জামানতের টাকা ফেরত পেতে প্রার্থীদের আগের চেয়ে বেশি ভোট পেতে হবে। কোনো প্রার্থী প্রদত্ত ভোটের ১৫ শতাংশ না পেলে তাঁর জামানত বাজেয়াপ্ত হবে। আগে এক–অষ্টমাংশ ভোট পেলে জামানত ফেরত পেতেন।
এবারের ইউপি নির্বাচন হবে নির্দলীয় প্রতীকে। আগে ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হতো। ইতিমধ্যে এ–সংক্রান্ত আইন সংশোধন হওয়ায় বিধিমালা থেকে দলীয় প্রতীকগুলো বাদ দেওয়া হয়েছে। সংশোধিত বিধিমালায় প্রার্থীদের জন্য প্রতীক সংরক্ষণ করা হয়েছে। চেয়ারম্যান পদের জন্য ২০টি, সাধারণ সদস্য পদে ১২টি ও সংরক্ষিত সদস্য পদে ১০টি মার্কা বা প্রতীক চূড়ান্ত করা হয়েছে।
চেয়ারম্যান পদে এবার যেসব প্রতীক থাকবে সেগুলো হলো—কম্পিউটার, কলার ছড়ি, ঘণ্টা, ঘোড়া, চিংড়ি, জগ, টেবিল, টেবিলঘড়ি, টেলিফোন, দালান, দোতলা বাস, পাগড়ি, বেবিট্যাক্সি, ময়ূর, মোবাইল ফোন, মোটর সাইকেল, মোড়া, রেল ইঞ্জিন, সোফা ও হাঁস।
সংরক্ষিত আসনের সদস্য পদের জন্য সংরক্ষিত প্রতীকগুলো হলো—আলমারি, কলস, ড্রেসিং টেবিল, পালকি, ফলের ঝুড়ি, মাইক, সেলাই মেশিন, সূর্যমুখী ফুল, হরিণ ও হেলিকপ্টার।
সাধারণ সদস্য পদের জন্য সংরক্ষিত প্রতীকগুলো হলো—উট, কাপ–পিরিচ, ঘুড়ি, জাহাজ, টর্চলাইট, টিউবওয়েল, ট্রাক্টর, তালা, ফুটবল, বৈদ্যুতিক পাখা, বৈদ্যুতিক বাল্ব ও মোরগ।
এ ছাড়া বিধি লঙ্ঘনের দায়ে ইসির প্রার্থিতা বাতিলের ক্ষমতার বিষয়টি বিধিমালায় যুক্ত করা হয়েছে। এ ছাড়া বলা হয়েছে, কোনো ভোটকেন্দ্রের ফলাফল বলপ্রয়োগ, ভীতি প্রদর্শন, কারসাজি বা অন্য কোনো অপকর্মের কারণে চরমভাবে পক্ষপাতদুষ্ট হলে কমিশন ওই কেন্দ্রের ফলাফল স্থগিত করতে পারবে। প্রয়োজনে নির্বাচন বাতিল করে পুনঃ ভোটের ব্যবস্থা নেবে ইসি। গণমাধ্যমকর্মীকে নির্বাচনী কাজে বাধা দিলে শাস্তির বিধানও যুক্ত করা হয়েছে। এ অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড বা সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা জরিমানা অথবা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।
এ ছাড়া চেয়ারম্যান প্রার্থীর নির্বাচনী ব্যয় ৫ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা করা হয়েছে। সদস্য প্রার্থীর ব্যয় ২ লাখ টাকাই রাখা হয়েছে।




