যুক্তরাষ্ট্রের হয়ে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সুলিভানের ইতিহাস
প্রকাশিত হয়েছে : ২:১৭:৪০,অপরাহ্ন ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | সংবাদটি ২ বার পঠিত
ম্যাচ শুরুর আগেই গ্যালারির করতালি বলে দিচ্ছিল অনেক কিছু। ঘরের ছেলে অ্যালেক্স ফ্রিম্যান ও জাস্টিন এলিসের জন্য চিৎকারটা ছিল সবচেয়ে জোরালো। তবে সেই গর্জনকে ছাড়িয়ে গুঞ্জন উঠেছিল এক তরুণকে নিয়ে সেই আর কেউ তরুণ কাভান সুলিভান। ষোলো বছর বয়সী এই উদীয়মান তারকা মাঠে নামতেই সবার চোখ আটকে যায় তার ওপর।
শনিবার রাতে পেরুর বিপক্ষে ৪-১ ব্যবধানের জয়ের ম্যাচে যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় দলের ইতিহাসে দ্বিতীয় কনিষ্ঠ খেলোয়াড় (১৬ বছর ৩৬২ দিন) হিসেবে শুরুর একাদশে অভিষেক হয় সুলিভানের। ২০০৬ সালে ১৬ বছর ২৩৪ দিনে অভিষেক করে এই রেকর্ডের শীর্ষে অবস্থান করছেন ফ্রেডি আদু।
৬২ মিনিট খেলে সুলিভান গোল বা অ্যাসিস্ট না পেলেও, তিনি যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে খেলার জন্য প্রস্তুত, তার স্পষ্ট ছাপ রেখে গেছেন। আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পেরুর রক্ষণভাগকে একাধিকবার চ্যালেঞ্জ জানান এই তরুণ। তবে একটু বেশিই আগ্রাসী হতে গিয়ে পেরুর গোলরক্ষক পেদ্রো গায়েসেকে ফাউল করে হলুদ কার্ডও দেখতে হয় তাকে।
সুলিভান নিজের অভিষেককে স্মরণীয় করার সুযোগ না পেলেও অন্য তরুণেরা তা হাতছাড়া করেননি। ঘরের দর্শকদের সামনে খেলতে নেমে ম্যাচের মাত্র চতুর্থ মিনিটেই গোল করেন এলিস। ম্যাচের একটু পর মাঠে নেমে ১৭ বছর বয়সী উইঙ্গার ম্যাথিস অ্যালবার্ট এক পেনাল্টি আদায় করে নেন, যা থেকে গোল করেন মালিক তিলম্যান। এরপর ১৮ বছর বয়সী জুলিয়ান হল, সেবাস্তিয়ান বেরহাল্টারের চমৎকার ক্রস থেকে দর্শনীয় এক গোলে ব্যবধান ৩-১ করেন। আর ম্যাচের শেষ পেরেকটি ঠোকেন বেরহাল্টার নিজেই, দূরপাল্লার এক নিখুঁত কার্লিং শটে দলের হয়ে শেষ গোলটি করেন তিনি।
প্রথমার্ধে একটি দৃষ্টিকটু গোল হজম করতে হয় যুক্তরাষ্ট্রকে। পেরুর তৈরি করা কয়েকটি সুযোগ নিশ্চিতভাবেই হতাশ করবে কোচ মরিসিও পচেত্তিনোকে। তবে ১১ জনের অভিষেক আর ৮ জন কিশোরকে নিয়ে গড়া দলের জন্য খামতিগুলোর চেয়ে ইতিবাচক দিকই ছিল বেশি। পচেত্তিনোর দলের জন্য এই ম্যাচটি সামনে এগিয়ে যাওয়ার দারুণ রসদ তৈরি করে দিল। আর সেই ভিত মজবুত করার জন্য দলটির সামনে এই উইন্ডোতেই আরও তিনটি ম্যাচ বাকি রয়েছে।




