এলপিজি-সয়াবিনের কৃত্রিম সংকট: বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি সংস্থার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
প্রকাশিত হয়েছে : ১২:৪০:০৬,অপরাহ্ন ০৪ অক্টোবর ২০২৬ | সংবাদটি ৩ বার পঠিত
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের আকাশছোঁয়া দামের মধ্যে এবার এলপিজি গ্যাস ও সয়াবিন তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে দাম বাড়ানোর অপচেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছে ‘বাংলাদেশ সাধারণ নাগরিক সমাজ’। একই সঙ্গে বাজার নিয়ন্ত্রণে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থাগুলোর নীরবতা ও দৃশ্যমান তৎপরতার অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি। রোববার (৪ অক্টোবর) সংগঠনটির আহ্বায়ক মহিউদ্দিন আহমেদ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলেন।
বিবৃতিতে বলা হয়, দেশে চলমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা চরম সংকটে পড়েছে। বর্তমানে আয়ের সঙ্গে নিত্যপণ্যের দামের কোনো সামঞ্জস্য নেই। চাল, ডাল, সবজি ও মাছ-মাংসের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে গেছে। এর মধ্যে রান্নার অন্যতম প্রধান জ্বালানি এলপিজি এবং খাদ্যতালিকার অপরিহার্য পণ্য সয়াবিন তেলের বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে ভোক্তাদের জিম্মি করার অপচেষ্টা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এই সংকটের কারণে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষের ওপর নতুন করে মারাত্মক চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
সংগঠনটি বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারি সংস্থাগুলোর ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছে, শুধু বাজার পরিদর্শন, নামমাত্র জরিমানা কিংবা সাময়িক অভিযান পরিচালনা করে দায়িত্ব শেষ করলে চলবে না; বরং সংকটের মূল কারণ চিহ্নিত করে স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে হবে। বাজারে প্রকৃতপক্ষে সরবরাহ সংকট থাকলে তা জনগণের সামনে স্পষ্ট করার আহ্বান জানিয়েছে তারা।
বাংলাদেশ সাধারণ নাগরিক সমাজের পক্ষ থেকে বেশ কয়েকটি দাবি তুলে ধরা হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, এলপিজি ও সয়াবিন তেলের বর্তমান সংকটের প্রকৃত কারণ তদন্ত করে প্রকাশ করা, মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকটের সঙ্গে জড়িত অসাধু ব্যবসায়ী বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ও দৃষ্টান্তমূলক আইনি ব্যবস্থা নেওয়া এবং জেলা-উপজেলা পর্যায়ে বাজার তদারকি জোরদার করা।
সরকারকে দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সংগঠনটি বলেছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজার কোনোভাবেই সিন্ডিকেট বা অসাধু ব্যবসায়ীদের হাতে জিম্মি থাকতে পারে না; জনগণের স্বার্থে বাজার নিয়ন্ত্রণে এনে ভোক্তার ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।




