বিমানের বহরে যুক্ত হচ্ছে আরও ৩৫ উড়োজাহাজ, এয়ারবাসের সঙ্গে চুক্তি আজ
প্রকাশিত হয়েছে : ১২:১৩:৩৫,অপরাহ্ন ০৭ অক্টোবর ২০২৬ | সংবাদটি ৩ বার পঠিত
রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহর সম্প্রসারণের অংশ হিসেবে ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হতে যাচ্ছে আজ বুধবার (৭ অক্টোবর)।
এই চুক্তিতে চারটি ওয়াইড-বডি ‘এ৩৫০-৯০০’ এবং ছয়টি ন্যারো-বডি ‘এ৩২১নিও’ জেট অন্তর্ভুক্ত থাকছে। আজ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় রাজধানীর একটি হোটেলে ‘স্প্রেডিং আওয়ার উইংস টুগেদার’ শীর্ষক আয়োজনে দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে এই চুক্তি সই হবে। সরকার এয়ারবাসের এই উড়োজাহাজগুলোর সরবরাহ নির্ধারিত সময়সূচির (২০৩৩-২০৩৭) আগে, অর্থাৎ ২০৩০ সালের মধ্যেই সম্পন্ন করার তাগিদ দিয়েছে।
মঙ্গলবার জার্মান রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে লুফথানসার একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত সরবরাহ এগিয়ে আনার এই তাগিদ দেন। এছাড়া দেশকে আন্তর্জাতিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়তে উড়োজাহাজ রক্ষণাবেক্ষণ কারখানা (এমআরও) স্থাপন এবং কার্গো পরিবহনে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সতর্কতা তুলে নিতে জার্মানির সহযোগিতাও চাওয়া হয়েছে।
এয়ারবাসের আগে চলতি বছর দুই দফায় মার্কিন প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের সঙ্গে মোট ২৫টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করেছে বিমান। এর মধ্যে গত ৩০ এপ্রিলে ১৪টি এবং ২৩ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি হয়।
বোয়িংয়ের উড়োজাহাজগুলো ২০৩১ সাল থেকে আসা শুরু হতে পারে, তবে বিমান অন্তত একটি উড়োজাহাজ ২০২৭ বা ২০২৮ সালের মধ্যে সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, সরবরাহের সময় একেকটি উড়োজাহাজের মূল্য পরিশোধ করা হবে।
বিমানের বর্তমান বহরে ১৯টি উড়োজাহাজ (১৪টি বোয়িং ও ৫টি ড্যাশ-৮) রয়েছে। তবে এর মধ্যে দুটি প্রায় অচল এবং বাকি ১৭টিও আগামী কয়েক বছরের মধ্যে বহর থেকে বাদ পড়বে। এ কারণে তাৎক্ষণিক চাহিদা মেটাতে ১০টি উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার চেষ্টাও চালাচ্ছে সংস্থাটি। নতুন চুক্তিকৃত এয়ারবাসের ১০টি এবং বোয়িংয়ের ২৫টি উড়োজাহাজ যুক্ত হলে ভবিষ্যতে বিমানের বহরে মোট উড়োজাহাজের সংখ্যা ৫০ ছাড়িয়ে যাবে।




