শিক্ষকদের মর্যাদা অক্ষুণ্ন থাকলে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বাড়ে: প্রধানমন্ত্রী
প্রকাশিত হয়েছে : ৮:২১:৪৮,অপরাহ্ন ০৫ অক্টোবর ২০২৬ | সংবাদটি ৩ বার পঠিত
দেশের শিক্ষকদের বিশেষ করে স্কুল-মাদ্রাসার প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে সরকারের কাজ করার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সমাজে শিক্ষকদের মর্যাদা অক্ষুন্ন থাকলে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বাড়ে।
সোমবার বিকালে বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীতে এক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, “দেশের শিক্ষকদের বিশেষ করে স্কুল-মাদ্রাসার প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তার নিশ্চয়তা বিধান এবং শিক্ষকতা পেশাকে সুযোগ ও সম্মানের দিক থেকে প্রতিযোগিতামূলক করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন রকমের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। শিক্ষকতা পেশা কখনই উপায়হীন বিকল্প কিংবা একটি সাধারণ চাকরির মত হতে পারে না।
‘‘বরং শিক্ষা দীক্ষায় সবচেয়ে মেধাবী মানুষটি যাতে কর্মজীবনে শিক্ষকতা পেশাকে প্রথম অগ্রাধিকার হিসেবে বেছে নিতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন সরকার শিক্ষক নিয়োগ এবং শিক্ষা ব্যবস্থাকে সেভাবেই ঢেলে সাজাচ্ছে। কারণ আমরা বিশ্বাস করি, রাষ্ট্র ও সমাজে শিক্ষকদের সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে রাষ্ট্রের মর্যাদা ও ভাবমূর্তি জড়িত। সমাজে শিক্ষকের মর্যাদা অক্ষুন্ন থাকলে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি বাড়ে।“
বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে দেশের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিদ্যালয়ের শতাধিক গুণী শিক্ষককে সন্মাননা প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। সম্মাননার অংশ হিসেবে প্রত্যেক গুণী শিক্ষককে দুই লাখ টাকা, একটি ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ দেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক পর্যায়ে ১০ জন, মাধ্যমিক পর্যায়ে ২০ জন, কলেজ পর্যায়ে ২৫ জন, সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ২০ জন, চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ১০ জন, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে তিনজন, প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে তিনজন এবং অন্যান্য বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে চারজন শিক্ষককে এ সম্মাননা দেওয়া হয়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচিত সাতজন শিক্ষককেও সম্মাননা দেওয়া হয়।
শিক্ষকদের মর্যাদা, অধিকার, পেশাগত উন্নয়ন এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করার গুরুত্ব তুলে ধরতে প্রতিবছর ৫ অক্টোবর বিশ্বব্যাপী শিক্ষক দিবস পালিত হয়।




