ট্রাম্পের দাবি, ইরানের হত্যার তালিকায় তিনি এক নম্বরে
প্রকাশিত হয়েছে : ১০:২৫:২০,অপরাহ্ন ০৯ জুলাই ২০২৬ | সংবাদটি 0 View
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের আশঙ্কা, তাকে হত্যার ছক কষছে ইরান। মাঝ-আকাশে তার বিমানে হামলা হতে পারে।
এই আশঙ্কার মাঝে ট্রাম্পের দাবি, ইরান সবসময় তার জন্য বড় ধরনের নিরাপত্তা হুমকি এবং তিনি দেশটির হত্যার তালিকায় ‘এক নম্বর লক্ষ্যবস্তু’।
বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ বিমান ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ -এ সফররত সাংবাদিকদের সিটের পাশের জানালার পর্দা হঠাৎ করেই পুরোপুরি বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
ওই ঘটনার পরই সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প এমন মন্তব্য করেন। সাংবাদিকরা যখন ট্রাম্পের কাছে জানতে চাইলেন, “হঠাৎ জানালার পর্দা কেন বন্ধ করতে বলা হল?”
তখন ট্রাম্প উত্তর দিলেন, “কারণ আমাদের যেসব নোংরা লোকের (ইরানিদের) মুখোমুখি হতে হচ্ছে, তাদের কারণে আমাদের এই ফ্লাইটটি এখন বেশ ঝুঁকিপূর্ণ বা বিপজ্জনক। এরা আসলে খুবই অসুস্থ মানসিকতার লোক।”
ইরানের কাছ থেকে ট্রাম্পের ব্যক্তিগত কোনও হুমকি রয়েছে কি না, অপর এক সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আমার ওপর সবসময়ই হুমকি থাকে। তাদের তালিকায় আপনাদের সবার আগে আমি এক নম্বরে আছি।”
সাংবাদিকদের উদ্দেশে ট্রাম্প আরও বলেন, “তবে মনে রাখবেন, আমি মারা গেলে আপনারাও মারা যাবেন।” এমন বিপজ্জনক পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প রসিকতার ছলে সাংবাদিকদের এই পেশা বদলে ফেলারও পরামর্শ দেন।
যুক্তরাষ্ট্র এবং ইরানের শান্তি সমঝোতা আপাতত স্থগিত করে দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। ইরানে নতুন করে হামলা চালিয়েছে তারা। বুধবার বেশি রাতের দিকে ইরানের একের পর এক শহরে বিস্ফোরণ হয়েছে।
চাবাহার বন্দরের কাছাকাছি এলাকাতেও হামলার খবর এসেছে। এ অবস্থায় ট্রাম্পের এমন মন্তব্য গুরত্ববহ বলেই মনে করা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট নেটো সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্কে গিয়েছিলেন ট্রাম্প। তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারা থেকে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পথে সাংবাদিকদের উদ্দেশে মৃত্যুর ওই আশঙ্কার কথা বলেন তিনি।
ট্রাম্পের সফরসঙ্গী যে সাংবাদিকরা ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’-এ ছিলেন, তাদের নিজ নিজ আসনের পাশের জানলা বন্ধ করতে বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, “আপনারা সম্ভবত একটি বিপজ্জনক বিমানে রয়েছেন।”
যে বিমানে চড়ে ট্রাম্প তুরস্কে গিয়েছিলেন, সেটিতে তুরস্ক থেকে ফেরেননি তিনি। ট্রাম্পকে সম্প্রতি একটি বিমান দিয়েছে কাতার। সেটিও এখন ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ হিসেবে ব্যবহার হয়।
তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ফেরার সময়ে কিছুটা পথ ট্রাম্প আসেন তার হালকা নীল রঙের পুরনো ‘এয়ার ফোর্স ওয়ান’ এ চেপে। কী কারণে হঠাৎ এই বিমান-বদল, তা প্রাথমিক ভাবে স্পষ্ট জানা যায়নি।




