খদরে খাসি না পেয়ে বিয়ের আসর ছেড়ে ভাইরাল, অবশেষে বিয়ে সম্পন্ন
প্রকাশিত হয়েছে : ১০:৪২:৪২,অপরাহ্ন ১৯ আগস্ট ২০২৬ | সংবাদটি ১ বার পঠিত
খাবারে ঐতিহ্যবাহী ‘খদর’-এ খাসি না থাকায় আসর ত্যাগ করে দেশজুড়ে আলোচনায় আসা সেই জাপানপ্রবাসী জুনায়েদ মিয়ার বিয়ে অবশেষে সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার ১৮ আগস্ট দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের ব্যক্তিগত হিসাবে পোস্ট দিয়ে তিনি নিজেই এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
জুনায়েদ তাঁর পোস্টে লেখেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ, সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে বিবাহ সম্পন্ন হলো। মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করছি। সবার কাছে দোয়া ও শান্তিময়, সুখী দাম্পত্য জীবনের কামনা করছি।’
এর আগে সোমবার ১৭ আগস্ট বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার ধরখার ইউনিয়নের তোলাতালা গ্রামে এক বিয়ের অনুষ্ঠানে ঐতিহ্যবাহী ‘খদর’-এ খাসির মাংস না পেয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে অনুষ্ঠানস্থল ত্যাগ করেন বর জুনায়েদ।
কসবা উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের আব্দুল জলিলের ছেলে জুনায়েদের এমন কাণ্ডের খবর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই দেশজুড়ে ভাইরাল হয়ে যায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার কনের বাড়িতে পৌঁছানোর পর অভ্যর্থনার সময় ফুল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে উপস্থিত লোকজনের সামনে বিরূপ মন্তব্য করেন বর জুনায়েদ।
পরবর্তীতে তোরণ ও বরণের আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে নির্ধারিত খাবার স্থানে বসানো হয়। সেখানে আমন্ত্রিত অতিথিদের খাওয়া-দাওয়া শেষে বরের জন্য পরিবেশিত বিশেষ খাবারে খাসির মাংস অনুপস্থিত দেখে তীব্র আপত্তি জানান তিনি।
খাসির মাংস ছাড়া তিনি আহার গ্রহণ করবেন না এবং বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করবেন না বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেন।
কনেপক্ষের স্বজনসহ উপস্থিত গণ্যমান্য ব্যক্তিরা তাকে নানাভাবে বোঝানোর চেষ্টা করলেও তিনি নিজের অবস্থানে অনড় থাকেন।
একপর্যায়ে বিয়ের কার্যক্রম অসমাপ্ত রেখেই একা কনের বাড়ি ত্যাগ করেন ওই প্রবাসী বর।
ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। পরে মঙ্গলবার রাতে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।




