দাম্পত্যে ভালোবাসা প্রকাশ নিয়ে মুখ খুললেন বিজয়-রাশমিকা
প্রকাশিত হয়েছে : ৭:৫৩:০০,অপরাহ্ন ১২ অক্টোবর ২০২৬ | সংবাদটি 0 View
ভালোবাসার কথা মুখে বলতে কখনো কার্পণ্য করেন না রাশমিকা মান্দানা। স্বামী বিজয় দেবেরাকোন্ডাকে প্রতিদিন অন্তত ১০ থেকে ১৫ বার ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’ বলেন অভিনেত্রী। তবে ভালোবাসা প্রকাশের ক্ষেত্রে স্ত্রীর চেয়ে কিছুটা আলাদা বিজয়ের ভাবনা। সম্প্রতি এক পডকাস্টে নিজেদের দাম্পত্য জীবনের এমনই মিষ্টি গল্প শুনিয়েছেন এই তারকা দম্পতি।
সম্প্রতি প্রাখর গুপ্তার পডকাস্ট ‘পিজিএক্স: র অ্যান্ড রিয়েল’-এ একসঙ্গে হাজির হন বিজয় ও রাশমিকা। চলতি বছরের শুরুতে উদয়পুরে বিয়ে করা এই দম্পতি সেখানে নিজেদের সম্পর্ক, ভালোবাসা প্রকাশের ধরন এবং দাম্পত্য জীবনের নানা অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলেন। বিয়ের পর এই প্রথম কোনো পডকাস্টে একসঙ্গে অংশ নিলেন তাঁরা।
রাশমিকার মতে, সম্পর্কে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই ভালোবাসা প্রকাশের ছোট ছোট অভ্যাসগুলো হারিয়ে ফেলেন। সঙ্গী নিজের মনের কথা জানেন—এমনটা ধরে নিয়ে আগের মতো যত্ন নেওয়া বা অনুভূতি প্রকাশ করা বন্ধ করে দেন অনেকে। অথচ সকালে শুভেচ্ছা জানানো, দিন কেমন কাটল তা জানতে চাওয়া কিংবা স্নেহের কথা বলার মতো ছোট বিষয়ই সম্পর্কের উষ্ণতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। বিয়ের পরও এসব অভ্যাস বজায় রাখা জরুরি বলে মনে করেন অভিনেত্রী।
রাশমিকার এই ভাবনার সঙ্গে একমত বিজয়ও। তবে ভালোবাসার অনুভূতি প্রকাশের ক্ষেত্রে স্ত্রীকে নিজের চেয়ে বেশি সচেতন বলে মনে করেন তিনি। বিজয়ের মতে, কারও প্রতি অনুভূতি গভীর হলে অনেক সময় তা এমনিতেই বোঝা যায়। তাই মনের কথা বারবার মুখে বলার প্রয়োজন তিনি সব সময় অনুভব করেন না।
আলোচনার একপর্যায়ে বিজয় জানান, রাশমিকা প্রতিদিন তাঁকে অন্তত ১০ থেকে ১৫ বার ‘আমি তোমাকে ভালোবাসি’ বলেন। শুধু নিজেই ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেন না, বিজয়কেও তাঁর অনুভূতি মুখে বলতে উৎসাহ দেন অভিনেত্রী।
দম্পতির এই কথোপকথনে উঠে এসেছে ভালোবাসা প্রকাশের ধরন নিয়ে পরিচিত এক বাস্তবতা—দুজন মানুষ পরস্পরকে গভীরভাবে ভালোবাসলেও সেই অনুভূতি প্রকাশের পদ্ধতি এক নাও হতে পারে।
ভালোবাসা প্রকাশের ধরন বা ‘লাভ ল্যাঙ্গুয়েজ’ নিয়ে প্রচলিত ধারণার বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে। ‘কারেন্ট ডিরেকশনস ইন সাইকোলজিক্যাল সায়েন্স’ সাময়িকীতে প্রকাশিত ২০২৪ সালের একটি পর্যালোচনায় এই ধারণার কয়েকটি মূল দাবির পক্ষে পর্যাপ্ত সমর্থন পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।




