টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে প্রথমবার বাংলাদেশের অবস্থান ছয়ে
প্রকাশিত হয়েছে : ৮:০৪:০৫,অপরাহ্ন ২৩ আগস্ট ২০২৬ | সংবাদটি ৩ বার পঠিত
ম্যাকাই টেস্টে হারলেও ডারউইনে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের জন্য এনে দিয়েছে নতুন গৌরব। প্রথমবারের মতো আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ে ছয় নম্বরে উঠে ইতিহাস গড়েছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।
ম্যাকাই টেস্টে বাংলাদেশ বাজেভাবে হারলেও ডারউইন টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর গর্ব হারিয়ে যায়নি। ঐতিহাসিক সেই জয়ের মূল্য আরেকবার বুঝিয়ে দিল আইসিসি র্যাঙ্কিংও। স্মরণীয় সেই জয়ই বাংলাদেশকে এনে দিল আইসিসি টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের ইতিহাসে নিজেদের সর্বোচ্চ স্থান।
টেস্ট ক্রিকেটে ২৬ বছরের পথচলায় প্রথমবার ছয় নম্বরে উঠে এলো বাংলাদেশ।
টেস্ট র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দলের বিপক্ষে ডারউইনে জয়ের পরই ছয়ে ওঠা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল বাংলাদেশের। সিরিজ শেষে আনুষ্ঠানিক হালনাগাদে মিলেছে সেটির নিশ্চয়তা।
বাংলাদেশের আগের সেরা অবস্থান ছিল সাত। গত মে মাসে পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশ করে ওই অবস্থানে পৌঁছেছিল তারা। পরে জিম্বাবুয়ের সফরে পরাজয়ে আবার হারাতে হয় সেই জায়গা। এবার নাজমুল হোসেন শান্তর দল পৌঁছে গেল নতুন উচ্চতায়।
৭৩ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে সিরিজটি শুরু করেছিলেন শান্তরা। ড্র সিরিজ শেষে তাদের রেটিং পয়েন্ট এখন ৭৮। টপকে গেছে তারা পাকিস্তান (৭৫) ও শ্রীলঙ্কাকে (৭৬)।
ডারউইনে হারলেও অস্ট্রেলিয়া ধরে রেখেছে শীর্ষস্থান। তবে ম্যাকাইয়ে জয়ের পরও প্রথম টেস্টে পরাজয়ের কারণে তাদের রেটিং পয়েন্ট ১৩১ থেকে কমে হয়েছে ১২৬।
১১৯ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে দুইয়ে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। ১০৬ পয়েন্ট নিয়ে তিনে রয়েছে নিউজিল্যান্ড। ১০৪ পয়েন্ট নিয়ে চারে ভারত। বাংলাদেশের ওপরে থাকা ইংল্যান্ডের রেটিং পয়েন্ট ৯৯।
আইসিসি ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়েও বাংলাদেশের ইতিহাস-সেরা অবস্থান ছয়। ২০১৭ সালের মে মাসে প্রথমবার ওই উচ্চতা স্পর্শ করেছিল তৎকালীন মাশরাফি বিন মুর্তজার দল।
আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের সেরা অবস্থান ছিল ২০১২ সালের জুলাইয়ে চতুর্থ স্থান। তবে তখন টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিং ব্যবস্থা নতুন ছিল এবং অন্য দলগুলোর তুলনামূলক কম ম্যাচ খেলার প্রভাবও বাংলাদেশের অবস্থানে পড়েছিল।




