নিরাপত্তা শঙ্কায় সৌদি আরব ছাড়ার নির্দেশ মার্কিন সরকারি কর্মীদের
প্রকাশিত হয়েছে : ৯:৪২:৫২,অপরাহ্ন ২৯ অক্টোবর ২০২৬ | সংবাদটি ১ বার পঠিত
নিরাপত্তা পরিস্থিতির চরম অবনতি ও হামলার আশঙ্কায় সৌদি আরবে কর্মরত ‘জরুরি বা অপরিহার্য নয়’ (নন-এমার্জেন্সি) এমন মার্কিন সরকারি কর্মচারী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের দ্রুত দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর। ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পরিপ্রেক্ষিতে নাগরিকদের সুরক্ষায় এই কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে ওয়াশিংটন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইরান-সমর্থিত হুথি বাহিনী সম্প্রতি সৌদি আরবের বিভিন্ন বেসামরিক বিমানবন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে উপর্যুপরি হামলা চালিয়েছে। এসব অতর্কিত হামলার কারণে ইতোমধ্যেই বেশ কয়েকজন বেসামরিক মানুষের হতাহতের ঘটনা ঘটেছে এবং দেশটির স্বাভাবিক বিমান চলাচলে চরম বিঘ্ন সৃষ্টি হয়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা ঝুঁকি ক্রমশ বাড়ছে উল্লেখ করে বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়েছে যে, সামনের দিনগুলোতে সেখানকার সার্বিক পরিস্থিতি আরও অবনতি হওয়ার প্রবল আশঙ্কা রয়েছে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) প্রকাশিত এক বিবৃতিতে সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস তাদের কর্মকর্তা – কর্মচারীদের চলাচলের ওপর নতুন বিধিনিষেধের কথা জানিয়েছে। সাম্প্রতিক এসব ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার পর মার্কিন সরকারি কর্মচারীদের দেশটির অভ্যন্তরীণ বা আন্তর্জাতিক যেকোনো বিমানবন্দর ব্যবহার করতে হলে মিশন প্রধানের (চিফ অব মিশন) কাছ থেকে বিশেষ ও আগাম অনুমতি নেওয়ার বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে।
সরকারি কর্মীদের পাশাপাশি সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের জন্যও কঠোর সতর্কতা জারি করেছে প্রশাসন। মার্কিন কর্মকর্তারা তাঁদের নাগরিকদের সম্ভাব্য বিমানবন্দর হামলা, আকস্মিক আকাশপথ বন্ধ হয়ে যাওয়া, ফ্লাইট বাতিল এবং ভ্রমণে যেকোনো ধরনের বিঘ্ন ঘটার উচ্চ ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করেছেন। সৌদি আরবে অবস্থানরত এবং ভ্রমণরত মার্কিন নাগরিকদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করার পাশাপাশি উদ্ভূত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।




