ককরোচ পার্টির প্রতিবাদস্থল দিল্লির যন্তর মন্তরে রাতে সংঘর্ষ, কাঁদুনে গ্যাস
প্রকাশিত হয়েছে : ৩:২২:২৮,অপরাহ্ন ২৩ জুলাই ২০২৬ | সংবাদটি ১ বার পঠিত
ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিবাদস্থল দিল্লির যন্তর মন্তরে বুধবার রাতে নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে প্রতিবাদকারীদের নতুন করে সংঘর্ষ হয়েছে। ভিড় ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিপেটা ও কাঁদুনে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, দুইজন এসিপি পদমর্যাদার পুলিশ কর্মকর্তাসহ অন্তত ছয়জন আহত হয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, প্রতিবাদস্থল থেকে পুলিশের ধারণ ও প্রকাশ করা ভিডিওগুলোতে বিশৃঙ্খল দৃশ্য দেখা গেছে, প্রতিবাদকারীরা পুলিশের দিকে পাথর নিক্ষেপ করেছে ও সংঘর্ষে জড়িয়েছে বলে এতে অভিযোগ করা হয়েছে।
নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে পরে ওই এলাকায় ইন্টারনেট জ্যামার সক্রিয় করা হয়।
পুলিশের ভিডিওগুলোতে দেখা গেছে, বিপুল সংখ্যক উত্তেজিত প্রতিবাদকারী শ্লোগান দিচ্ছে ও পুলিশের ওপর আক্রমণ চালানোর জন্য একে অপরকে উস্কানি দিচ্ছে। অন্তত একজন নিরাপত্তা সদস্যকে প্রতিবাদকারীরা ঘিরে ফেলে দলবেঁধে পিটিয়েছে।
ভিডিওতে আরও দেখা গেছে, একদল প্রতিবাদকারী ওই মারমুখি লোকজনকে শান্ত করার চেষ্টা করেন আর থামতে বলেন, কিন্তু তেমন একটা সফল হননি।
পুলিশের এসিপি পদমর্যাদার দুই কর্মকর্তাকে আহত অবস্থায় দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে নেওয়া হয়। তাদের মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন অংশে চোট লেগেছে।
এসিপি জয় প্রকাশ সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, কিছু প্রতিবাদকারী পার্লামেন্ট স্ট্রিটের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করলে গণ্ডগোল শুরু হয়। এ সময় তার কপালে পাথরের আঘাত লাগে।
সিজেপি দাবি করেছে, পাথর ছুড়েছে ও হট্টগোল করেছে বিজেপির ‘গুণ্ডারা’।
ভারতের আরেক সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা জানিয়েছে, বুধবার সন্ধ্যার পর যন্তর মন্তরে নতুন করে উত্তেজনা ছড়ায়। ভিড় বাড়ার মধ্যে পুলিশের ওপর একাধিকবার পাথর নিক্ষেপের অভিযোগ আসে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ লাঠিপেটা করে ও কাঁদুনে গ্যাস ছোড়ে। এতে উত্তেজনা আরও বেড়ে গিয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
সোমবার সিজেপির পার্লামেন্টমুখী বিক্ষোভ মিছিল পুলিশ দমন করার চেষ্টার পর থেকেই দিল্লিতে উত্তেজনা বিরাজ করছে। তারপর থেকে দিল্লির কেন্দ্রীয় অঞ্চলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের বেশ কয়েকবার সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষের লোকজন আহত হয়েছে।
বিক্ষোভকারীরা পুলিশের বিরুদ্ধে বর্বর দমননীতির অভিযোগ করেছে। নিরাপত্তা কর্মীরা বিক্ষোভকারীদের মারধর করছে, এমন বেশি কয়েকটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে।
অপরদিকে পুলিশ সংযম রক্ষার দাবি করে তারা শুধু আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছে। তারা আরও জানায়, বিক্ষোভকারীদের হামলায় তাদের শতাধিক সদস্য আহত হয়েছে।




