যে শর্তে ইরানকে পারমাণবিক জ্বালানি দিতে প্রস্তুত যুক্তরাষ্ট্র
প্রকাশিত হয়েছে : ১১:৫৪:১১,অপরাহ্ন ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ | সংবাদটি ৪ বার পঠিত
ইরানের পরমাণু ইস্যুর সমাধান হলে দেশটিকে পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহ করতে যুক্তরাষ্ট্র প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন মার্কিন জ্বালানি বিষয়ক মন্ত্রী ক্রিস রাইট। ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রাইট বলেন, আমরা দেশের বাইরে থেকে জ্বালানি সরবরাহ করতে পারি।
ইরানের পরমাণু কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত করেই এই প্রস্তাব দিয়েছেন মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী। তার দাবি, ইরানের পরমাণু কর্মসূচির লক্ষ্য পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি। তবে তেহরান বারবার বলে আসছে, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির কোনো লক্ষ্য তাদের নেই।
রাইট বলেন, ইরান চাইলে আবারও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের অংশ হতে পারে এবং নিজেদের জনগণের জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধি ফিরিয়ে আনতে পারে।
তবে এমন বক্তব্যের মধ্যেই ইরানের ভূগর্ভস্থ পরমাণু স্থাপনাগুলোতে ‘নির্ণায়ক হামলা’ চালানোর পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলতি বছর নাতাঞ্জ পরমাণু কমপ্লেক্সের কাছে নির্মাণকাজে স্পষ্টভাবে বড় ধরনের তৎপরতা শনাক্ত করা হয়েছে।
তেহরান থেকে প্রায় ১৪০ মাইল দক্ষিণে অবস্থিত নাতাঞ্জ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ পরমাণু স্থাপনাগুলোর একটি।
এর আগে গত সপ্তাহে ইরানে সামরিক অভিযান আরও জোরদারের হুমকি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি দাবি করেন, ইরানে আরও বহুগুণ বেশি বোমাবর্ষণ করা হবে এবং দেশটি আর কখনোই আগের অবস্থায় ফিরতে পারবে না।
নাতাঞ্জ পরমাণু কমপ্লেক্সের কাছে অবস্থিত পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন নিয়েও হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। সেখানে তৎপরতা ও চলাচল শনাক্ত হওয়ার পর ওই স্থাপনায় হামলার সম্ভাবনার কথা জানান তিনি।
গত সপ্তাহে সাংবাদিকদের ট্রাম্প বলেন, আমরা খুব শিগগিরই পিকঅ্যাক্সে হামলা চালাতে পারি।
ফলে একদিকে ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে সমঝোতার বিনিময়ে পারমাণবিক জ্বালানি দেওয়ার প্রস্তাব, অন্যদিকে ভূগর্ভস্থ পরমাণু স্থাপনায় হামলার প্রস্তুতি; ওয়াশিংটনের এই দুই ধরনের বার্তা ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের জটিল পরিস্থিতিই তুলে ধরছে।




