মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিল বহাল, হাই কোর্টে যাওয়ার ঘোষণা
প্রকাশিত হয়েছে : ৭:২২:০৪,অপরাহ্ন ২৭ এপ্রিল ২০২৬ | সংবাদটি ১ বার পঠিত
সরকারি চাকরি থেকে ইস্তফার তিন বছর পার না হওয়ায় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে এনসিপির মনিরা শারমিনের প্রার্থিতা বাতিলে রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্ত সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে নির্বাচন কমিশন।
প্রার্থিতা ফিরে পেতে এখন হাই কোর্টে যাবেন বলে জানিয়েছেন মনিরা শারমিন।
ত্রয়োদশ সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন মনিরা শারমিন। বাছাইয়ে বাদ দেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
প্রার্থিতা ফিরে পেতে ইসিতে আপিল করেন তিনি। এরপর সোমবার প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে আপিল শুনানি হয়।
জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “মনিরা শারমিনের আপিল আবেদন নামঞ্জুর হয়েছে। তার মনোনয়নপত্র বাতিল থাকল।”
মনিরা শারমিন বলেন, “এখন আমি হাই কোর্টে আপিল করব।”
এদিকে দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগ এনে বিএনপির প্রার্থী জীবা আমিনা খানের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে দলের আন্তর্জাতিক উপ কমিটির সদস্য মাসুদ মৃধা আপিল করেন; আর বিএনপির আরেক প্রার্থী মাধবী মার্মার প্রার্থিতা বাতিল চেয়েও বান্দরবানের চন্দ্রা চাকমা আবেদন করেন।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ বলেন, “জীবা আমিনা খানের বিরুদ্ধে আপিলটি যথাযথ হয়নি। আপিলকারী প্রার্থী না হওয়ায় আপিল খারিজ করা হয়েছে। মাধবী মার্মার বিরুদ্ধে কোনো আপিল আমাদের কাছে ছিল না।”
মাধবী মার্মার বিরুদ্ধে আবেদন আইন শাখায় বা ইসির কাছে না দিয়ে ডেসপ্যাচে জমা দেওয়ায় তা নথিভুক্ত হয়নি বলে ইসির একজন জানিয়েছেন।
এদিকে বিএনপি এই দুই প্রার্থীর বিরুদ্ধেও হাই কোর্টে আপিল করা হবে বলে জানিয়েছেন তাদের আইনজীবীরা।
ত্রয়োদশ সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের ৫০টি আসনের ৪৯ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।
বৈধ প্রার্থীর মধ্যে বিএনপি জোটের ৩৬ জন, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন জোটের ১২ জন ও স্বতন্ত্র জোটের একজন রয়েছেন।
এখন প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় পার হলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন তারা।
নির্বাচন কমিশন ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২৭ এপ্রিল ও ২৮ এপ্রিল আপিল নিষ্পত্তি হবে। ২৯ এপ্রিল প্রার্থিতা প্রত্যাহার ও ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ আর ভোট হবে ১২ মে।
সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীরা সাধারণত বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন।




