ইরানের হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইসরায়েলি ঘাঁটি, স্যাটেলাইট ছবি ফাঁস
প্রকাশিত হয়েছে : ১১:১৪:৩০,অপরাহ্ন ২২ মে ২০২৬ | সংবাদটি ১ বার পঠিত
ইরান ও হিজবুল্লাহর পাল্টা হামলায় ইসরায়েলের একাধিক সামরিক ঘাঁটিতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে স্যাটেলাইট ছবির বিশ্লেষণে উঠে এসেছে। এতে তেল আবিব প্রকৃত ক্ষতির পরিমাণ গোপন করছে কি না, তা নিয়ে নতুন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্যাটেলাইট বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান সোয়ার প্রকাশিত ছবিতে দেখা গেছে, ইরানের অপারেশন ট্রু প্রমিজ-৪-এর সময় ইসরায়েলের বিভিন্ন সামরিক স্থাপনায় আঘাত লাগে। এই অভিযান ছিল ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জবাবে চালানো পাল্টা আক্রমণ।
বিশ্লেষণে দেখা যায়, রামাত ডেভিড বিমানঘাঁটির দুটি পৃথক এলাকায় হামলা আঘাত হানে। এর একটি এলাকায় সামরিক যান ও সরঞ্জাম রাখা হতো, অন্যটি ছিল যুদ্ধবিমানের জ্বালানি ও সার্ভিসিং কেন্দ্র।
এছাড়া সাফেদের কাছে অবস্থিত ইউনিট ৮২০০ গোয়েন্দা ঘাঁটি মিশার বেস-এও হামলার চিহ্ন পাওয়া গেছে। মার্চের ৫ থেকে ১০ তারিখের মধ্যে সেখানে আঘাত হানার প্রমাণ মিলেছে বলে দাবি করা হয়েছে।
নেভাটিম বিমানঘাঁটির একটি অবস্থানেও বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি দেখা গেছে, যা মার্চের ২৫ তারিখের স্যাটেলাইট ছবিতে স্পষ্টভাবে ধরা পড়ে।
আরেকটি ছবিতে দেখা যায়, ক্যাম্প শিমশোন-এ ব্যাপক অগ্নিকাণ্ড হয়েছে। হিজবুল্লাহ যেদিন ড্রোন হামলার দাবি করেছিল, ঠিক সেদিনই আগুনের সূত্রপাত হয়। বিশ্লেষকদের মতে, আগুনটি কয়েকদিন ধরে জ্বলেছে এবং এতে ঘাঁটির অন্তত ২০০ মিটার এলাকা পুড়ে যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক সেন্সররা ইচ্ছাকৃতভাবে ছবির মান কমিয়ে প্রকাশ করেছে, যাতে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা আড়াল করা যায়।
ইয়েদিওথ আহরোনোথের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান প্রায় ৬৭০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৭৬৫টি ড্রোন ইসরায়েল-নিয়ন্ত্রিত এলাকায় নিক্ষেপ করেছে।
এদিকে গত ৮ এপ্রিল পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও, ইসরায়েল আবারও ইরানের বিরুদ্ধে নতুন সামরিক অভিযানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে চাপ দিচ্ছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।




